পরিবার থেকে শেখা ২ (Poribar Theke Sekha - 2)
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ১০:৩০ বাজে। বাবা এতক্ষণে অফিস চলে গেছে। চোখ খুলে দেখি মা তার জামাকাপড় ভাজ করে সেল্ফে রাখছে। রাতের ঘটনা তখনো আমার মনে আসেনি। আমি বললাম
আমি: এত বেলা হয়েছে এখনো ডাক নি কেন মা?
মা: অনেক রাত করে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়েছিসতো তাই ভোরে ডাকিনি। (বলে মুচকি হাসলো)
আমি: (হঠাৎ রাতের ঘটনা মনে পড়ল) তোমাদের জন্য ঘুমোনো যায় নাকি, তোমরা তো বিছানা ভেঙে ফেলো প্রায়।
(লজ্জায় লাল হয়ে)
মা: যাহ দুষ্টু বাবা-মার ভালোবাসায় নজর দিস। এখন ওঠ, উঠে স্নান করে আয় খেতে বসবো।
আমি: আজ হঠাৎ সকালেই স্নান করতে বলছো কেন মা।
মা: রাতে তো তোর বাবা একা ভিজিয়েছিল না, তুইয়োতো… বলে মুচকি হাসলো।
আমি াআ কথা না বাড়িয়ে সোজা বাথরুমে গিয়ে ব্রাস-স্নান সেরে খাবার টেবিলে বসলাম।
আমি: মা খেতে দাও খুব খিদে পেয়েছে।
মা: এই নে, বলে ৪টা রুটি আমার প্লেটে দিল। আর নিজে নিল।
আমি: ((আমি মার বুকের দিকে তাকিয়ে)) আজ রুটি গুলো দুধ দিয়ে ভিজিয়ে ভিজিয়ে খাব।
মা: (আমার ইশারা বুঝতে পেরে) শয়তান ছেলে পুরো বাপের স্বভাব পেয়েছে।
আমি বাপেরই তো ছেলে, তা বাপের স্বভাব পাব না তো পাড়ার লোকের স্বভাব পাব নাকি।
মা: উফ তোর সাথে কথায় পারবো না, চুপচাপ খেয়ে নে।
আমি: তাইলে আমার দুধ খাওয়ার কি হবে।
মা: এখন দুধ কোথায় পাব? বাসায় তো দুধ নেই।
আমি একটু সাহস করে বলেই ফেললাম
আমি: বাসায় আস্ত গাভী থাকতে দুধের অভাব। (বলে মার দুধের দিকে তাকালাম)
মা: তোর জন্য দেখছি বাসায় সবসময় ওড়না পরে থাকতে হবে। আর তোর বাবা আসুক আজ তোকে নিয়ে কথা বলবো।
আমি ভয় পেয়ে গেলাম
আমি: থাক বাবাকে কিছু বলতে হবে না, আমি দুধ ছাড়াই রুটি খাচ্ছি।
মা হেসে..
মা: আরে তোর জন্য পার্মানেন্ট গাভীর ব্যবস্থা করা যায় কিনা দেখি।
আমি: বাসায় এমন দুধেল গাভী থাকতে আমি অন্য গাভী চাই না।
মা: কিন্তু এ গাভী তো অন্য কারো। সবাইতো এ গাভীর দুধ খেতে পারবে না।
আমি: গাভীর বান দেখে তো মনে হচ্ছে মালিক একা খেয়ে শেষ করতে পাব়ে না। একটু ভাগ দিলে কি কম পড়বে?
মা: কম পড়বে কেন। কিন্তু দুধ খাওয়াতে গেলে যে গাভীর অন্য জায়গায় চুলকানি শুরু হবে। ওই চুলকানি কে কমাবে।
আমি: কেন আমায় দিয়ে কি কাজ হবে না বলে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে এক টানে লুঙ্গি খুলে খাড়া বাড়াটা মার সামনে নাচিয়ে ধরলাম।
চোখ বড় বড় করে মা বলল
মা: একি জিনিস বানিয়েছি এই বয়সে। বাবাকেও হার মানাবি।
আমি: পচ্ছন্দ হলে চেখে দেখতে পারো।
মা: ইচ্ছে থাকলেও তা সম্ভব না।
আমি: কেন?
মা: মা হয়ে কখনো ছেলেকে দিয়ে চুলকাতে পারবো না।
আমি: কেন পারবে না, তুমি গাভী হও আর আমি তোমার বাছুর হই। দেখনা বাছুর বড় হয়ে নিজে যে জায়গা দিয়ে পৃথিবীতে এসেছিল ঐ জায়গা চুলকে দেয়।
মা: তার পরও কেউ জানতে পারলে অনেক খারাপ হবে।
আমি: কে জানবে, তুমি আমি না বললেই হলো।